আমার কোন কর্মী নাই সবাই আমার কৃমি

আমার কোন কর্মী নাই সবাই আমার কৃমি

“আমার কোনো কর্মী নাই, সবাই আমার কৃমি”—হাসনাত আব্দুল্লাহর মুখ ফসকে বেরোনো বাক্যে গোঁফ চাপা আলোচনা, এখন পেট থেকে ভোট মাঠে বিতর্ক

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অভিধান যেন প্রতিদিনই নতুন কোনো শব্দ পাচ্ছে। এবারের অবদান বরিশালের প্রবীণ রাজনীতিক হাসনাত আব্দুল্লাহ–র। সম্প্রতি স্থানীয় এক মিটিংয়ে তাঁর মন্তব্য রীতিমতো সাহিত্যকর্মের গভীরতায় ভরা—

“আমার কোনো কর্মী নাই, সবাই আমার কৃমি!”

এই এক লাইনের ঘোষণায় অচিরেই ব্যস্ত হয়ে উঠল গোটা রাজনৈতিক মাঠ। কেউ বুঝে উঠতে পারছে না, এটি কি আত্মবিশ্বাসের বহিঃপ্রকাশ, না বিরক্তির। নিজের অনুসারীদের কৃমি বলা এমন সাহসিকতা বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল—যা শুনে প্রাণবন্ত মানুষও কিছুক্ষণ স্তব্ধ।

দলীয় সূত্র জানায়, বক্তৃতা চলাকালীন তিনি বিরোধীদের উদ্দেশে বলতে চেয়েছিলেন “আমার কর্মীরা মাটির সন্তান,” কিন্তু আবেগ, বয়স, আর মাইকের গোলযোগে সেটা নাকি ‘কৃমি’ হয়ে মঞ্চে নেমে আসে। ফলাফল? মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ক্লিপ, ব্যঙ্গচিত্র, এবং নয়া হ্যাশট্যাগ—#কৃমি_নেতা

একজন অনলাইন ব্যবহারকারী লিখেছে,

“আগে রাজনীতিবিদরা জনগণকে ভেড়া বলত, এখন আপগ্রেড হয়ে কৃমি!”

আরেকজনের তির্যক মন্তব্য,

“এই দেশে অন্তত এক নেতা আছেন যিনি অন্তরের প্রাণ খুলে বললেন জনগণ কোথায় থাকে—পেটে!”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ বলছেন, এই বক্তৃতা এখন যুগের দলিল। কারণ দেশে এখন এমন পরিস্থিতি যে, নেতার সঙ্গে সম্পর্ক বোঝাতে কোনো জৈবিক উপমাই যথেষ্ট জীবন্ত মনে হয়। এক অধ্যাপক ব্যঙ্গ করে বললেন,

“ পেটে হজমের জন্য যেমন কৃমি দরকার, হয়তো রাজনীতিতেও তাই।”

দলীয় শিবিরে যদিও কেউ কেউ লজ্জা আড়াল করতে ব্যস্ত। এক কর্মী বললেন,

“ভাই আসলে বলতে চেয়েছিলেন, আমরা তাঁর অন্তরের মানুষ… মানে একটু পুটকির গভীরে গেছেন।”

ঘটনার পর জনমনে সৃষ্টি হয়েছে পেট–থেকে–মন পর্যন্ত নানা রসিকতা।

এক চা দোকানি হেসে বলল,

“আগে ভাবতাম আমরা ভোট দেই, এখন বুঝি আমরা হজম হই।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *