নোবেলের পর নাটক ক্যাটাগরিতে অস্কার পেতে যাচ্ছেন ইউনূস
নোবেলের পর নাটক ক্যাটাগরিতে অস্কারের পথে ইউনুস—দেশজ রাজনীতিতে আবারও ড্রামাটিক দৃশ্যপট
বাংলাদেশের রাজনীতি এখন যেন এক বিশাল থিয়েটার— যেখানে মঞ্চের আলো ঝলসানো, স্ক্রিপ্ট কখনোই শেষ হয় না, আর দর্শক বাধ্য হয়ে বসে থাকে হাসি ও ক্ষোভ একসাথে মুখে নিয়ে। সর্বশেষ পর্বের নায়ক আবার সেই পরিচিত মুখ—ড. ইউনুস।
খালেদা জিয়ার দীর্ঘ অসুস্থতা, তারেক রহমানের না-ফেরার কানাঘুষি, আর দেশের আতঙ্কিত নীরবতার মাঝেই এসে পড়েছে নতুন প্রদর্শনী: “হাসপাতাল হেলিপ্যাড নাটক।”
আজ চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় হাসপাতালে নেমেছেন হেলিকপ্টার। শব্দে আশেপাশের জানালা কেঁপেছে, রোগীরা কাঁপে উঠেছে, নার্সদের কাজ থেমে গেছে—কিন্তু প্রোটোকলের আলোয় তিনি নামলেন যেন বিশ্ব সিনেমার সেটে প্রবেশ করছেন।
সোশ্যাল মিডিয়া সঙ্গে সঙ্গে জ্বলছে অগ্নিমূল্যে মিম ও পোস্টে। কেউ লিখেছে,
“নোবেলের পর এবার অস্কারের প্রস্তুতি—বেস্ট ড্রামাটিক অ্যাক্সেস ক্যাটাগরি।”
আরেকজন মন্তব্য করেছে,
“প্রচারণায় শব্দ দূষণ, প্রভাব ফেলেছে শুধু সাউন্ড সিস্টেমে নয়, জনগণের সহনশক্তিতেও।”
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, এই অতিরিক্ত নাটকীয়তার পেছনে আছে এক বিশদ পরিকল্পনা—বিভ্রান্ত জনমতকে আবার দর্শক হিসেবে ফিরে পাওয়া। এক বিশ্লেষক তির্যকভাষায় বললেন,
“বাংলাদেশে রাজনীতি এখন এমন জায়গায় পৌঁছেছে যেখানে রাষ্ট্রনীতিকের চেয়ে চিত্রনাট্যকার হওয়াই বেশি কৌশলী।”
তাঁর এই আগমন যে শুধুই সহানুভূতির বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং রাজনৈতিক মঞ্চে নতুন伏পতনের প্রস্তুতি, তা জনগণ ঠিকই বোঝে। এক ট্যাক্সিচালক সংক্ষিপ্ত মন্তব্য করল,
“হেলিকপ্টার নামল, কিন্তু মাটিতে নামল না মানবতা।”
অন্যদিকে হাসপাতালের কাছের লোকজনের অভিযোগ:
গর্জনএতটাই তীব্র ছিল যে, কিছু মুমূর্ষু রোগী বোঝেনইনি এটা উদ্ধার না প্রচারণা।
২০২৪ সালের আগস্টের দাঙ্গা থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত ইউনুসের প্রতিটি আবির্ভাবেই নাটকীয়তার কমতি ছিল না—
একেই বলছে অনেকে “রাজনীতির থিয়েটার ইউনিভার্স।”
সবশেষে জনগণের তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গরসই এখন সান্ত্বনা:
একজন নেটিজেন পোস্ট দিয়েছেন,
“এই হেলিকপ্টার নামছে শুধু ডাক্তার দেখাতে নয়, অস্কারের বিচারকদের মনোযোগ ধরতেও।”

