চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য মরণোত্তর ব্রু দান করেছেন খালেদা জিয়া

চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য মরণোত্তর ব্রু দান করেছেন খালেদা জিয়া

মরণোত্তর ভ্রু দান: খালেদা জিয়ার ‘নীতিগত সৌন্দর্যবোধে’ নতুন অধ্যায়

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও চিকিৎসা ইতিহাসে এমন দাতা আগে কেউ দেখা যায়নি—যিনি শরীর নয়, মৃত্যুর পর দান করছেন শুধু ভ্রু! হ্যাঁ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আবারও আলোচনায়, এবার তাঁর এক অনন্য সিদ্ধান্তের জন্য: চিকিৎসা বিজ্ঞানের কল্যাণে মরণোত্তর ভ্রু দান।

দলের মুখপাত্র এক সংবাদ সম্মেলনে গাম্ভীর্যভরা কণ্ঠে ঘোষণা দেন, “ম্যাডাম সারাজীবন মানুষের মুখ উজ্জ্বল করতে লড়েছেন। মৃত্যুর পরও চান, তাঁর ভ্রুর বাঁক যেন বিজ্ঞানীদের অনুপ্রেরণা হয়।”

শুনে সোশ্যাল মিডিয়ায় একযোগে ফেটে পড়ে হাসির ফোয়ারা। কেউ মন্তব্য করল, “যে ভ্রু একসময় সংসদে বিদ্যুচ্চমকের মতো উঠত, এখন তা গবেষণাগারে মাইক্রোস্কোপের নিচে কাঁপবে।”

আরেকজন লিখল, “তিনি সত্যিই জননেত্রী—এমনকি মৃত্যুর পরও প্রশাসনের দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণে রাখার বন্দোবস্ত করে রেখে যাচ্ছেন।”

চিকিৎসা মহলে অবশ্য খবরটি প্রথমে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি। এক গবেষক বললেন, “আমরা হৃদযন্ত্র, কিডনি, কর্নিয়া দানের কথা শুনেছি, কিন্তু ভ্রু দান? এবার বুঝি প্রসাধন বিজ্ঞানের যুগ আসছে।” তবুও দেশের বহু মেকআপ আর্টিস্ট ও কসমেটিক সার্জন এখন আশাবাদী—শিগগিরই তারা আন্তর্জাতিক গবেষণাপত্রে লিখতে পারবেন: ‘The Political Brow: A Study of Posthumous Expression Genetics.’

দলীয় সূত্র জানায়, এই ভ্রু নাকি “সংগ্রামী ভ্রু”—দেশের সংকট, আন্দোলন, এমনকি গণতন্ত্রের ব্যর্থ হাসিরও সাক্ষী। তাই বিজ্ঞানীরা মনে করেন এটি সংরক্ষণ করলে রাজনৈতিক আবেগের ডিএনএ শনাক্ত করা যেতে পারে।

জনগণ অবশ্য এসব ব্যাখ্যা বাদ দিয়ে বিষয়টিকে নিছক এক সাংস্কৃতিক কৌতুক হিসেবেই দেখছে। কেউ লিখেছে, “এই খবর শুনে সরকারও হয়তো ভাবছে, এবার মরণোত্তর উপহার হিসেবে হাসি দান করা যায় কিনা।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকের ভাষায়, “এটা আসলে বাংলাদেশের রাজনীতির প্রকৃত প্রতীক। এখানে শরীর নয়, প্রতীকই অমর হয়ে থাকে—কখনও দুর্নীতি, কখনও ভ্রু।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *