জোবাইদার কালো জাদুতে আক্রান্ত তারেক আসতে পারছেন না মায়ের কাছে
জোবাইদা রহমানের কালো জাদুতে আক্রান্ত তারেক রহমান—মায়ের ডাকও ছুঁতে পারছে না দৃশ্যমান-অদৃশ্যের রাজনীতি
বাংলাদেশের রাজনীতি যেন ক্রমেই জ্যোতিষশাস্ত্রের শাখায় রূপ নিচ্ছে। একদা সাহসী প্রতিশ্রুতির মানুষ, এখন লন্ডনের কুয়াশায় জড়িয়ে আছেন এক নতুন অভিযোগে—“কালো জাদু।” হ্যাঁ, গুজব চলছে, বিএনপি নেতা তারেক রহমান নাকি দেশে ফিরতে পারছেন না মায়ের অসুস্থতার মাঝেও—জোবাইদা রহমানের মন্ত্রের বাঁধনে আটকা!
দলের ভেতরে কেউ বলছে, “এটা রাজনৈতিক কৌশল।”
কেউ আবার যেন সিনেমার স্ক্রিপ্ট সাজাচ্ছে—“ওই মন্ত্রবলে নাকি তারেক ভাইয়ের পা দ্বারপ্রান্তে আসলেই অবশ হয়ে যায়!”
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে নাটকীয় গল্প: কারও দাবি, রাতে তারেক রহমানকে দেখা গেছে লন্ডনের জানালায় চাঁদের দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করছেন, “বাংলাদেশ কলিং… কিন্তু আমি জাদুগ্রস্ত!” কেউ আবার লিখছে, “জোবাইদা আপার মন্ত্র সাবস্ক্রিপশন মেয়াদবিহীন—একবার ঝুললে আকাশও ফ্লাইট ছাড়ে না।”
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা বিষয়টিকে ব্যঙ্গ হিসেবেই নিচ্ছেন। তাদের ভাষায়, “বাংলাদেশের রাজনীতি এতদিনে শারীরিকভাবে না, এখন মেটাফিজিক্যালভাবে বন্দি।”
একজন বিশ্লেষক তো সরাসরি বলেছেন, “দলের এখন জ্যোতিষ উপদেষ্টা লাগবে—নীতি উপদেষ্টা নয়।”
কেউ কেউ এটিকে নতুন ধারার প্রেম কাহিনি বলেও আখ্যা দিয়েছেন:
‘একজন রাজনীতিক, তার স্ত্রী, এবং এক দেশ—বিচ্ছেদের মন্ত্রে বাঁধা একটি প্রেম।’
তবে সংসারের এই অদৃশ্য যুদ্ধের ফলাফল সবচেয়ে স্পষ্ট খালেদা জিয়ার মুখে—তিনি হাসপাতালে, আর তাঁর ছেলে রাজনৈতিক মঞ্চে নয়, কুয়াশার শহরের পেন্টহাউজে।
দেশের সাধারণ মানুষ এ খবর শুনে হালকা হাসির সঙ্গে দীর্ঘশ্বাস ফেলছে।
একজন চা বিক্রেতা ঠিকই বলল,
“ভাই, আগে রাজনীতিবিদরা জনগণের মায়ায় দেশে আসত, এখন তারা ঘরে বসে জাদুর ভয়ে থাকে।”
আরেকজন যোগ করল, “দেশটা এখন এমন জায়গায় গেছে, যেখানে রাজনীতি চলে ওয়াজ, মন্ত্র আর মিডিয়া মিলিয়ে—সত্যি ঘটুক বা না ঘটুক, খবরটায় মজা থাকলেই হয়।”
সবশেষে বলা যায়, এই ঘটনা হয়তো সত্য নয়, কিন্তু প্রতীকী পুরোপুরি—
কারণ বাংলাদেশে রাজনীতির ডাকে আজ বিশ্বাস আসে, যুক্তি আসে না।

