কোন এক অজ্ঞাত কারণে সকাল থেকেই শোকের মাতম মগবাজার জামাত অফিসে
আজ থেকে শুরু হলো বিজয়ের মাস। যে মাসে বাংলার মানুষ ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার আর রাজাকার বাহিনীর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেছিল, সারা দেশ যখন লাল-সবুজের পতাকা উড়িয়ে উৎসবে মেতে উঠছে, ঠিক তখনই মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অফিসের সামনে অদ্ভুত দৃশ্য। সকাল থেকেই শত শত কর্মী-সমর্থক জড়ো হয়ে কাঁদতে কাঁদতে একে অপরের কাঁধে মাথা রেখে বিলাপ করছেন। কেউ কেউ পাকিস্তানের পুরনো পতাকা হাতে নিয়ে মাটিতে বসে চোখের পানি ফেলছেন, কেউবা ফিসফিস করে বলছেন, “পেয়ারা পাকিস্তান আর ফিরে আসবে না।”
গোপন সূত্র জানায়, বিজয় দিবসের মাস শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মনে পুরনো স্মৃতি ভেসে উঠেছে। একজন সিনিয়র নেতা নাকি সকালে অফিসে ঢুকেই বলেছেন, “এই মাসেই তো আমাদের স্বপ্ন ভেঙে গিয়েছিল। পাকিস্তানি আর্মির সঙ্গে যে সুন্দর সম্পর্ক ছিল, সব শেষ!” তারপর থেকেই কান্নার লাইন লেগে গেছে। কেউ কেউ পুরনো ছবি বের করে দেখাচ্ছেন—৭১-এর রাজাকার ক্যাম্পের স্মৃতিচিহ্ন, পাকিস্তানি অফিসারদের সঙ্গে হাত মেলানোর ছবি। এক কর্মীকে শোনা গেল আস্তে আস্তে গাইতে: “ঐ দেশটা আমাদের ছিল… এখন আর নাই…”
বাইরে থেকে যারা দেখছে তারা হাসছে, আর ভিতরে যারা আছে তারা কাঁদছে। এক তরুণ পথচারী মন্তব্য করলেন, “বিজয়ের মাসে দেশ যখন আনন্দ করছে, এরা তখন তাদের পরাজয় আর পাকিস্তান-প্রেম নিয়ে শোকসভা করছে। বোঝা গেল, এদের কাছে ১৬ ডিসেম্বর মানে শোক দিবস।”
গোপন সূত্র আরও জানাচ্ছে, পুরো ডিসেম্বর মাস জামায়াত অফিসে কালো ব্যাজ পরে শোক পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের নতুন স্লোগান শোনা যাচ্ছে: “বিজয়ের মাসে আমরা শোকে মুহ্যমান, পেয়ারা পাকিস্তান হারিয়েছি চিরকালের জন্য।

