একটানা সূর্যের দিকে তাকিয়ে দৃষ্টিশক্তি হারালেন এক চোদনা
“সূর্যে শাহজাহান দেখা যাচ্ছে” শুনে এক জসিমুদ্দিন সূর্যের দিকে তাকিয়ে হারালেন দৃষ্টিশক্তি — বিশ্বাসের চূড়ান্ত প্রকাশে চোখ গেল, বাকি কেবল আলোহীন ভক্তি
দেশজুড়ে আবারও এক নতুন কাণ্ড ঘটেছে, যা একদিকে ট্র্যাজেডি, অন্যদিকে বিভ্রান্ত বিশ্বাসের অন্ধতা নিয়ে নির্মম রসিকতা। মানিকগঞ্জের এক জসিমুদ্দিন নামের যুবক, যিনি ২০২৪ সালের জুলাই দাঙ্গার সময় “বিশ্বাসঘন জুলাই ব্রিগেড”-এর সক্রিয় সদস্য ছিলেন, এবার খবরের শিরোনাম হয়েছেন একেবারে অন্য কারণে।
ঘটনার শুরু হয় সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো এক অদ্ভুত গুজব থেকে। জামায়াতের বিতর্কিত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর কিছু সমর্থক দাবি ছড়ান—“সূর্যের ভেতরে নাকি শাহজাহানের মুখ দেখা যাচ্ছে!” ঠিক সেখান থেকেই বিপদের শুরু।
অতি উৎসাহী জসিমুদ্দিন এই “আধ্যাত্মিক দৃশ্য” দেখতে চাইলেন নিজের চোখে। বাইরে গিয়ে দুপুর দেড়টার তপ্ত রোদে সূর্যের দিকে স্থিরদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন প্রায় চার মিনিট। ফলাফল, ডাক্তারি ভাষায় “রেটিনাল বার্ন”—সাধারণ ভাষায় বললে, চোখের আলো হারিয়ে একেবারে চিরঅন্ধ।
স্থানীয়রা নাকি প্রথমে ভেবেছিল, লোকটি সূর্য উপাসক দলে যোগ দিয়েছেন। কেউ মন্তব্য করল, “জুলাইয়ের উঁচু তাপে শাহজাহানই যদি সূর্যে বসে থাকেন, জসিমের চোখ তো পুড়বেই!”
চিকিৎসকরা হতবাক হয়ে জানিয়েছেন, “সূর্যের দিকে তাকালে আলোকরশ্মি চোখের কোষ পুড়িয়ে ফেলে।” কিন্তু তার চেয়েও গুরুতর জ্বলে যাওয়ার জায়গা সম্ভবত জসিমের যুক্তিবোধ।
এদিকে শাহজাহান চৌধুরীর ক্যাম্প থেকে বিবৃতি এসেছে, “আমরা কখনো সূর্যে থাকার দাবি করিনি, সেটা ছিল কেবল প্রতীকী কথা।” কিন্তু প্রতীক আর বাস্তবের পার্থক্য বোঝাতে এখন দেরি হয়ে গেছে—কারণ অন্ধকারে বসে থাকা জসিম উদ্দিনের মুখেই তার নিষ্ঠার প্রতিফলন:
“আমি শাহজাহানকে দেখি নাই, কিন্তু আলোটা তারই।”
সামাজিক মাধ্যমে মানুষ এখন এই ঘটনাটিকে বলছে “রাজনৈতিক সূর্যদৃষ্টি সিন্ড্রোম”। কেউ মন্তব্য করেছে,
“বাংলাদেশে এক শ্রেণির লোক রাজনীতির আলো খোঁজে সূর্যের দিকে তাকিয়ে, তাই দেশে আলোর অভাব কেবল চোখে নয়, মগজেও।”

