বাপের আগে বাল ফেলতে গিয়ে শেষে সোনা দানা সব হারিয়েছেন এক চোদনা
দেশের বিনোদন জগতে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, ঢাকার এক বিখ্যাত ‘চোদনা’ (যিনি নিজেকে ‘প্রগতিশীল মডার্ন বাপ’ বলে পরিচয় দেন) নাকি বাপের জন্য অপেক্ষা না করেই বাল ফেলার মহড়া শুরু করেছিলেন। ফলাফল? পুরো সোনাদানা এমনকি হিরা-মুক্তোও একেবারে উরে গেছে!
জানা যাচ্ছে, গত রাতে ওই চোদনা নাকি নিজের ‘মডার্ন লুক’-এর জন্য বাথরুমে ঢুকে একা একাই বাল কামানোর অভিযান শুরু করেন। নতুন জিলেট কিনে, ইউটিউব টিউটোরিয়াল দেখে, ফোম লাগিয়ে প্রথমে হালকা হাতে শুরু। কিন্তু উত্তেজনায় হাত কাঁপতে কাঁপতে এক ঝটকায় ব্লেডটা এমন জায়গায় পড়েছে যে, যাকে বাংলাদেশে আমরা স্নেহের সঙ্গে ‘সোনাদানা’ বলি, সেই পুরো সেটটাই রক্তাক্ত অবস্থায় বেসিনে পড়ে গেছে।
প্রতিবেশীরা বলছেন, হঠাৎ চিৎকার শুনে দরজা ভেঙে ঢুকতেই দেখা গেল চোদনা মেঝেতে বসে কাঁদছেন আর দুই হাতে সোনাদানা খুঁজছেন। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, “ওনার হাতে রক্ত আর চোখে পানি, মুখে শুধু একটা কথা—‘বাবা, আমার সোনা কই গেল!’”
হাসপাতাল সূত্রে খবর, ডাক্তাররা চেষ্টা করেও আর লাগাতে পারেননি। একজন সার্জন নাকি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেছেন, “এত সুন্দর সোনাদানা দেখিনি, কিন্তু এখন শুধু স্মৃতি।” এদিকে চোদনার বাপ এসে হাসপাতালে দেখে নাকি মাটিতে বসে পড়েছেন আর বলছেন, “বেটা, আমি বলেছিলাম বড় হইস আগে, তুই শুনলি না!”
নেটিজেনরা এখন নতুন ছড়া কাটছে:
“মডার্ন হতে গিয়ে বাল কামালি,
সোনাদানা গেল হাসপাতালি।
বাপের কথা শুনলে এমন হতো না,
এখন শুধু খালি পকেট আর খালি দোকান!”
সবশেষে চোদনা নাকি বিছানায় শুয়ে ফিসফিস করে বলছেন, “আমার সোনা ফেরত দে…”
আর ডাক্তার শান্ত গলায় উত্তর দিয়েছেন, “ভাই, সোনা গেলে আর ফেরত আসে না, এটা তো সোনার বাংলা না।”

