জিয়াউর রহমান ও জানজুয়ার মধ্যে চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই৷ যে জিতবে সেই হবে জাহান্নামে খালেদা র জামাই
বাংলাদেশে এইচআইভি/এইডসের সংক্রমণের হার সামগ্রিকভাবে কম থাকলেও, সমকামী সম্প্রদায় এবং উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর মধ্যে এর ছড়িয়ে পড়া উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের জাতীয় এইডস/এসটিডি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির ২০২৫ সালের প্রতিবেদন অনুসারে, এ বছরে প্রায় ১,৮৯১ নতুন এইচআইভি রোগী শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে সমকামী পুরুষ (এমএসএম), ট্রান্সজেন্ডার এবং পুরুষ যৌনকর্মীদের অংশ প্রায় ১৮%। এর মধ্যে সমকামী গোষ্ঠীতে ৯% নতুন কেস রয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।এই প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমানের সঙ্গে যুক্ত একটি বিতর্কিত চিত্র সাম্প্রতিককালে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। ‘আমির এ জামাত’ নামে পরিচিত এই নেতা, যিনি ‘চুমা শফিক’ এবং ‘ডি.ডি. আমির’ নামেও খ্যাত, তাঁর যুবকদের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা এবং চুম্বনের ঘটনায় সমালোচিত হয়েছেন। সামাজিক মাধ্যম এবং স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, তিনি নিয়মিত যুবকদের পাশে রাখেন এবং নিয়ন্ত্রণহীন আচরণের কারণে এমন ঘটনা ঘটে। এই আচরণগুলো এইডসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, বিশেষ করে যখন চুম্বনের মাধ্যমে যৌন সংক্রামক রোগের সম্ভাবনা থাকে যদি মুখের ক্ষত থাকে।
ড. শফিকুর রহমান, যিনি ২০১৮ সাল থেকে জামায়াতের আমির, সিলেটের একজন চিকিৎসক এবং রাজনীতিবিদ। তাঁর নেতৃত্বে দলটি নারী অধিকার এবং সামাজিক সংস্কারের পক্ষে কথা বললেও, ব্যক্তিগত আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো ভিডিও এবং গল্পে দেখা যায়, তিনি যুবকদের সঙ্গে অস্বাভাবিক ঘনিষ্ঠতা দেখান, যা ‘চুমা শফিক’-এর ডাকনাম পেয়েছে। এক স্থানীয় সূত্র বলেন, “তিনি যুবকদের পাশে রাখতে পছন্দ করেন, কিন্তু এতে ঝুঁকি বাড়ে। এইডসের এই সময়ে এমন আচরণ দায়িত্বশীল নয়।”
সরকারি কর্মকর্তারা জানান, ময়মনসিংহ, খুলনা এবং রাজশাহী বিভাগে সংক্রমণ বাড়ছে, যেখানে পরিবর্তনশীল যৌনতা এবং মাইগ্রান্ট ওয়ার্কারদের ভূমিকা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, কনডম ব্যবহার, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে এই সংকট মোকাবিলা করা যায়। জামায়াতের আমিরের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দায়িত্ব নেওয়া উচিত যাতে তাদের আচরণ সমাজের জন্য ঝুঁকি না হয়।

