জামায়াতের আমির দিয়া পুটকি মারামু” আলোচিত শিশুকে বললেন জনতা
“জামায়াতের আমীর দিয়া পুটকি মারামু”—মেট্রোরেলের ছাদে উঠে দুই শিশু, জনতা হতবাক
ঢাকার ব্যস্ত মেট্রোরেলের ফিডার লাইন দিয়ে ছুটছে অফিসের ভিড়, সবাই ব্যস্ত, সময় কম, কফি ঠান্ডা। ঠিক তখনই রাজধানীর মাঝামাঝি স্টেশনে হঠাৎ চিৎকার—দু’জন শিশু মেট্রোরেলের ছাদে! বগির জানালা থেকে ভেসে আসছে হাসি, চেঁচামেচি, আর এক চূড়ান্ত ঘোষণার মতো বাক্য—
“জামায়াতের আমীর দিয়া পুটকি মারামু!”
ঘটনায় যাত্রীরা প্রথমে ভেবে নিয়েছিল, হয়তো নতুন কোনো সামাজিক চ্যালেঞ্জ চলছে—#RoofRideReform বা #ChutkiMission নামে। কিন্তু না, দুই কিশোরের এই অদ্ভুত ঘোষণাই দিনটা পাল্টে দিল। ট্রেন থামলো, মানুষ জড়ো হলো, কেউ ভিডিও করল, কেউ সেলফি। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তেই ছড়িয়ে গেল ক্লিপ—দু’জন শিশু, এক ছাদ, এক রাজনৈতিক ব্যঙ্গবাণী।
পুলিশের ভাষ্যমতে, শিশু দু’জন স্কুল পালিয়ে সকালে স্টেশনে আসে। এক পর্যায়ে উত্তেজনায় ট্রেনের ছাদে উঠে পড়ে। প্রশ্ন করলে, তাদের এক জন গম্ভীর মুখে বলে, “আমরা দেখামু, কেমনে জামায়াতের আমীর দিয়া চুটকি মারা যায়!” আরেকজন পাশ থেকে চেঁচিয়ে বলে, “আমরা ফাইট করতাছি—অন্যায় আর বোরিং স্কুল লাইফের বিরুদ্ধে!”
এই বক্তব্যে কেউ হাসছে, কেউ কপালে হাত দিচ্ছে।
এক দায়িত্বশীল অভিভাবক মন্তব্য করলেন, “এই প্রজন্ম সত্যিই এক্সপ্রেশনিস্ট—একটা কথা বলতেই ছাদে উঠে যায়!”
সামাজিক মাধ্যমে এখন মিমের বন্যা। কেউ লিখেছে,
“নতুন সুপারহিরো—পুটকি বয়জ: দ্য রুফ রাইডারস।”
আরেকজন লিখেছে, “বাংলাদেশে কেউ আন্দোলনে না নামলে, বাচ্চারা মেট্রোরেলে উঠেই বিপ্লব শুরু করে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মুচকি হেসে বলছেন, দেশের বর্তমান বিক্ষুব্ধ মানসিকতা বুঝতে এর চেয়ে মজার প্রতীক আর হয় না—শিশুরাও জানে, কোথায় চুটকি মারতে হয়, আর কাকে দিয়ে।
অবশেষে কর্তৃপক্ষ শিশু দু’জনকে নিরাপদে নামিয়ে উদ্ধার করে। তারা অবশ্য অনুতপ্ত নয়। এক শিশু সাংবাদিকদের সামনে গর্বভরে বললো,
“আমরা শুধু দেহাইছি, সাহস লাগে বড় কিছু কইরার আগে। আমীর ভাইর পুটকি মারা তো কনসেপ্ট, ভাই!”

