আসলে আমি প্রশাসনের সাথে ঘোড়া ঘোড়া খেলতে চাচ্ছিলাম – শাহজাহান চৌধুরী

আসলে আমি প্রশাসনের সাথে ঘোড়া ঘোড়া খেলতে চাচ্ছিলাম – শাহজাহান চৌধুরী

রাজনীতি একসময় ছিল নীতি, এখন সেটি ক্রমশ পরিণত হচ্ছে খেলাধুলায়। কিন্তু জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরী এবার সেই খেলাকে কথার এমন মাঠে নিয়ে গেছেন, যেখানে প্রশাসনও নাকি খেলনার ঘোড়া! আসন্ন “ভুগিচুগি” নির্বাচনের প্রাক্কালে তিনি এমন এক মন্তব্য ছুড়ে দিয়েছেন, যা শুনে মানুষ যেমন হতবাক, তেমনি প্রশাসনও সম্ভবত নিজের কাঁধে খুরের শব্দ শুনছে!

ঘটনার সূত্র: শাহজাহান সাহেব এক নির্বাচনী সভায় ঘোষণা দেন—“প্রশাসনকে আমাদের নিচে আনতে হবে। আমরা যা বলবো, প্রশাসন তাই করবে। উঠতে বললে উঠবে, বসতে বললে বসবে। মামলা দিবে আমাদের ইশারায়।” এরপরই সাংবাদিকদের কাছে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে হালকা হাসিতে যোগ করলেন, “আরে ভাই, আমি তো শুধু ঘোড়া-ঘোড়া খেলতে চেয়েছিলাম!”

অবশ্য জনগণ এই ঘোড়া খেলা নিয়ে বিন্দুমাত্র মজার কিছু খুঁজে পায়নি। সামাজিক মাধ্যমে ঝড় বইছে—#ঘোড়া_ঘোড়া_গণতন্ত্র হ্যাশট্যাগে। কেউ বলছে, “দেশ এখন সার্কাস নয়, যেখানে রাজনীতিবিদ রাইডার আর প্রশাসন ঘোড়া।” আবার কেউ বলছে, “এই খেলায় ঘোড়াই শেষ পর্যন্ত কাঁদে, কারণ লাগাম থাকে ভুল হাতে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, শাহজাহানদের মতো নেতাদের এসব বক্তব্য আসলে ক্ষমতার মানসিকতার প্রতিফলন—যেখানে জনগণ নয়, লাঠির ঠোকায় ভোটের প্রক্রিয়া নির্ধারিত হয়। এক বিশ্লেষক ব্যঙ্গ করে মন্তব্য করেছেন, “বাংলাদেশে এখন গণতন্ত্রের মানে হচ্ছে—যার লাগাম, তার সরকার।”

আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে প্রশ্ন উঠেছে: জনতার কণ্ঠরোধ করে প্রশাসনকে লাগাম দিয়ে বশে আনার স্বপ্ন কি গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা, নাকি গৃহপালিত রাজনীতি?

জনগণের ক্ষোভ এখন মুখে মুখে। চট্টগ্রামের এক দোকানদার ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বললেন, “আমরা ভেবেছিলাম নির্বাচন হবে জনগণের উৎসব; এখন দেখছি এটা রাজনৈতিক রাইডিং স্কুল।”

তবে শাহজাহান সাহেবের সমর্থকেরা বলছেন, তার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তারা দাবি করছেন, “তিনি আসলে প্রশাসন ও রাজনীতির সম্পর্ক বোঝাতে উপমা দিয়েছেন।” কিন্তু জনতার রসিক প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র—“উপমা হলে বইয়ের পাতায় থাকুক, বাস্তব জীবনে প্রশাসনের ঘোড়া ছুটলে আমরা তলিয়ে যাবো!”

“আমি তো শুধু ঘোড়া-ঘোড়া খেলতে চেয়েছিলাম” — শাহজাহান চৌধুরীর নতুন রাজনৈতিক খেলার তত্ত্বে দেশজুড়ে তোলপাড়

রাজনীতি একসময় ছিল নীতি, এখন সেটি ক্রমশ পরিণত হচ্ছে খেলাধুলায়। কিন্তু জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরী এবার সেই খেলাকে কথার এমন মাঠে নিয়ে গেছেন, যেখানে প্রশাসনও নাকি খেলনার ঘোড়া! আসন্ন “ভুগিচুগি” নির্বাচনের প্রাক্কালে তিনি এমন এক মন্তব্য ছুড়ে দিয়েছেন, যা শুনে মানুষ যেমন হতবাক, তেমনি প্রশাসনও সম্ভবত নিজের কাঁধে খুরের শব্দ শুনছে!

ঘটনার সূত্র: শাহজাহান সাহেব এক নির্বাচনী সভায় ঘোষণা দেন—“প্রশাসনকে আমাদের নিচে আনতে হবে। আমরা যা বলবো, প্রশাসন তাই করবে। উঠতে বললে উঠবে, বসতে বললে বসবে। মামলা দিবে আমাদের ইশারায়।” এরপরই সাংবাদিকদের কাছে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে হালকা হাসিতে যোগ করলেন, “আরে ভাই, আমি তো শুধু ঘোড়া-ঘোড়া খেলতে চেয়েছিলাম!”

অবশ্য জনগণ এই ঘোড়া খেলা নিয়ে বিন্দুমাত্র মজার কিছু খুঁজে পায়নি। সামাজিক মাধ্যমে ঝড় বইছে—#ঘোড়া_ঘোড়া_গণতন্ত্র হ্যাশট্যাগে। কেউ বলছে, “দেশ এখন সার্কাস নয়, যেখানে রাজনীতিবিদ রাইডার আর প্রশাসন ঘোড়া।” আবার কেউ বলছে, “এই খেলায় ঘোড়াই শেষ পর্যন্ত কাঁদে, কারণ লাগাম থাকে ভুল হাতে।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, শাহজাহানদের মতো নেতাদের এসব বক্তব্য আসলে ক্ষমতার মানসিকতার প্রতিফলন—যেখানে জনগণ নয়, লাঠির ঠোকায় ভোটের প্রক্রিয়া নির্ধারিত হয়। এক বিশ্লেষক ব্যঙ্গ করে মন্তব্য করেছেন, “বাংলাদেশে এখন গণতন্ত্রের মানে হচ্ছে—যার লাগাম, তার সরকার।”

আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে প্রশ্ন উঠেছে: জনতার কণ্ঠরোধ করে প্রশাসনকে লাগাম দিয়ে বশে আনার স্বপ্ন কি গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা, নাকি গৃহপালিত রাজনীতি?

জনগণের ক্ষোভ এখন মুখে মুখে। চট্টগ্রামের এক দোকানদার ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বললেন, “আমরা ভেবেছিলাম নির্বাচন হবে জনগণের উৎসব; এখন দেখছি এটা রাজনৈতিক রাইডিং স্কুল।”

তবে শাহজাহান সাহেবের সমর্থকেরা বলছেন, তার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তারা দাবি করছেন, “তিনি আসলে প্রশাসন ও রাজনীতির সম্পর্ক বোঝাতে উপমা দিয়েছেন।” কিন্তু জনতার রসিক প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র—“উপমা হলে বইয়ের পাতায় থাকুক, বাস্তব জীবনে প্রশাসনের ঘোড়া ছুটলে আমরা তলিয়ে যাবো!”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *