মিরপুর চিড়িয়াখানার খাঁচা থেকে বেরিয়ে গেল লিঙ্গবিহীন সিংহ

মিরপুর চিড়িয়াখানার খাঁচা থেকে বেরিয়ে গেল লিঙ্গবিহীন সিংহ

মিরপুর চিড়িয়াখানার খাঁচা থেকে পালাল ‘লিঙ্গবিহীন সিংহ’—শাহজাহানের সিংহ উপমার পরেই শুরু মাঠ–গরম রহস্য!

বাংলাদেশে রাজনীতি ও চিড়িয়াখানা—দুই প্রতিষ্ঠানই জনগণের আনন্দ–বেদনার পুরোনো উৎস। তবে এবার তারা একসঙ্গে মিশে এসে এমন দৃশ্য তৈরি করেছে, যা একদিকে হাসির, অন্যদিকে প্রতীকী আতঙ্কের।

গতকাল সকালে মিরপুর চিড়িয়াখানার কর্মীরা লক্ষ্য করেন, সিংহের খাঁচা ফাঁকা। মুহূর্তে খবর ছড়িয়ে পড়ে—“লিঙ্গবিহীন সিংহ পালিয়েছে!”

আর খবরটি আরও রোমাঞ্চকর হয়ে উঠল যখন স্মরণ করা হলো, কিছুদিন আগেই এক জামায়াত নেতা নিজেকে ঘোষণা দিয়েছিলেন “লিঙ্গবিহীন সিংহ”।

তারপর থেকেই মানুষ মজার ছলে জিজ্ঞেস করছে—

“এই কি তবে সেই সাহেবের সিংহ?”

“না কি বক্তৃতাটা এত জোরে গর্জেছিল যে, খাঁচার আসল প্রাণী ভয় পেয়ে পালিয়েছে?”

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ এক বিরল সমাপতন, যখন রাজনৈতিক গর্জন বাস্তব খাঁচার দরজা খুলে দেয়!

এক তরুণ সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছে,

“বক্তৃতা শোনার পর সিংহ ভাবল, এ দেশে তার জায়গা শেষ—সে নিজেই সরে গেল।”

চিড়িয়াখানার কর্তৃপক্ষ অবশ্য ঘটনাটিকে পুরোপুরি প্রাণীবিদ্যার সমস্যা বলে ব্যাখ্যা দিচ্ছে। কিন্তু নিছক প্রশাসনিক ত্রুটির ব্যাখ্যা জনগণের কান পায়নি; বরং তারা শুনেছে প্রতীকী হাসির হাহাকার।

মিরপুর থেকে মগবাজার পর্যন্ত এখন রাস্তায় নতুন গুজব: কেউ বলছে, সিংহটিকে রাতে দেখা গেছে পোস্টারের পাশে দাঁড়িয়ে, আবার কেউ বলছে, সে এখন গোপনে রাজনীতি করছে।

একজন প্রহরী গম্ভীর মুখে বললেন,

“সিংহটা চলে যাওয়ার আগে আয়নায় তাকিয়ে কোনো মানুষের ছবি দেখে গর্জন করেছিল।”

ঘটনায় জনমনে সৃষ্টি হয়েছে অলৌকিক যুক্তি–তর্ক।

এক বৃদ্ধ দর্শক বলল, “বুঝে গেছি এটা দैব নির্দেশ—যে নিজেকে সিংহ বলে, এখন সে গর্জনের মধ্যে আটকাবে!”

সামাজিক মাধ্যমে মিম ছড়ানো এখন এই ঘটনার অনিবার্য পরিণতি—

একটি ভাইরাল ক্যাপশনই সব বোঝায়:

“খাঁচা ফাঁকা, মঞ্চ গরম—দেশে এখন প্রতিটি গর্জনই রাজনৈতিক।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *