পাকিস্তানের হীরামান্ডি থেকে সফিকুল সাহেব আমাকে দত্তক নেন
“পাকিস্তানের হিরামান্ডী থেকে উদ্ধার পাওয়া ছেলেটি”—রাজনীতির নতুন আদর্শিক নাটকে জনমত অগ্নিগর্ভ
দেশের রাজনীতিতে যখন তত্ত্বের ঘাটতি, তখন কাহিনি দিয়েই চলে সচেতনতার প্যাকেজ। এবার সেই প্যাকেজের নতুন মুখ—একজন আলোচক, যিনি দাবি করেন, তিনি জীবনের সূচনা করেছেন এক অন্ধকার অলিতে, কিন্তু এখন আলোর উপদেশ দিতে চান সমগ্র জাতিকে।
নিজের অতীতকে ঘিরে তিনি বলেন, “আমি ভুল জায়গায় জন্মেছিলাম, কিন্তু এখন ঠিক জায়গায় বসে কথা বলি।” আর এখানেই নাটকের জাদু—একটা গোপন ব্যাকস্টোরি দিয়ে নিজের বাণী জাহির করা, যেন জনগণের সহানুভূতি ভোটের মতোই সহজে আহরণযোগ্য!
টেলিভিশনের টকশোগুলোতে এখন লোকজন বলছে, “এই ভদ্রলোকের গল্প শুনে মনে হয়, আমাদের রাজনীতি এখন পুরো মেথড অ্যাক্টিং।” কেউ আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখছে, “যে গল্পে আলো-অন্ধকার দুই-ই আছে, সেটাই আজকাল ভাইরাল হয়।”
বিশ্লেষকেরা মন্তব্য করছেন, দেশের রাজনীতি এতটাই নাট্যনির্ভর হয়েছে যে সত্যতা নয়, চরিত্রটাই মুখ্য হয়ে উঠছে—
আজ কেউ ‘উদ্ধারপ্রাপ্ত’, কাল ‘উদ্ধারকারী’, পরশু ‘প্রতিনিধি’।
জনগণের প্রতিক্রিয়া ব্যঙ্গ আর মমতার মিশ্রণ। এক দোকানি হেসে বলল,
“এই দেশে এখন সবাই নিজের কাহিনির নায়ক। শুধু দর্শকরা জানে না, এ সব সিনেমার শেষ কোথায়।”

