দীর্ঘদিন গবেষণা করে,শহর ও গ্রামের চাতাতো ভাইয়ের দেওয়া বানের পার্থক্য বের করেছেন আধ্যাত্মিক বিজ্ঞানী কাজী ইব্রাহিম
জানা গেছে, এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে খালেদা জিয়ার অবস্থা যত খারাপ হচ্ছে, জাহান্নামের নিচতলায় ততই উত্তেজনা বাড়ছে। সূত্রের দাবি, সেখানে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং পাকিস্তানি জেনারেল জানজুয়ার মধ্যে হাতাহাতি-লাথালাথি লেগে গেছে। কারণ একটাই খালেদা!
নরকের কয়েকজন পুরোনো বাসিন্দা ফিসফিস করে জানিয়েছেন, জিয়া নাকি জানজুয়াকে বলছেন, “তুই কে রে ব্যাটা? আমি তো ওর আইনি স্বামী!” জবাবে জানজুয়া হাসি মুখে পকেট থেকে একটা পুরোনো লাভ লেটার বের করে বলছেন, “আইনি-টাইনি ছাড়, ভাই। এই দেখ, ১৯৭৭ সালের চিঠি—‘তুমি আমার জান, আমি তোমার জান’। আর ওই যে লিপস্টিকের দাগ, এখনো লাল!”
এদিকে জিয়া পাল্টা একটা হুইস্কির বোতল হাতে ঘুরিয়ে বলছেন, “আমার বউ তো হুইস্কি ছাড়া থাকতে পারে না। আমি ওর সঙ্গে পার্টি করব, তুই কী দিয়ে ওকে খুশি করবি, পাকিস্তানি চা?” জানজুয়া নাকি তখন পকেট থেকে একটা সিল্কের গেঞ্জি বের করে ঘুরিয়ে বলছেন, “ভাই, আমার সঙ্গে লাহোরের রাতের কথা মনে করিয়ে দিলে ও দুই মিনিটে তোকে ভুলে যাবে।”
নরকের ফেরেশতারা নাকি বাজি ধরে বসে আছে। কেউ বলছে জিয়া জিতবে কারণ “বাঙালি সেন্টিমেন্ট”, কেউ বলছে জানজুয়ার চান্স বেশি কারণ “ওই সময় খালেদা আপার বয়স ছিল মাত্র…” (বাকিটা বলতে গিয়ে ফেরেশতা লজ্জায় লাল হয়ে গেছে)।
একটা গুঞ্জন তো এমনও শোনা যাচ্ছে যে, খালেদা জিয়া যদি আরেকটু দেরি করেন, তাহলে দুজনেই মিলে তাঁকে জাহান্নামের “থ্রিসাম” প্রপোজ করার প্ল্যান করছে। তবে সেটা হলে নাকি জাহান্নামের তাপমাত্রা আরও ৫০ ডিগ্রি বেড়ে যাবে।
যাই হোক, ফাইনাল রেজাল্ট যাই হোক, একটা ব্যাপার নাকি পাকা—যে জিতবে, সে-ই খালেদা জিয়ার জাহান্নামে এক নম্বর “হার্ড ডিস্ক” হয়ে থাকবে। বাকিটা তো আপনারাই বুঝে নেন।

