আমার বাবা ভোগচোেদ ছিলেন তবে তিনি চুতিয়া নন

আমার বাবা ভোগচোেদ ছিলেন তবে তিনি চুতিয়া নন

মির কাশেম আলীর ছেলে নিজের মুখে স্বীকার করলেন, যে তার বাবা ভোগচোদ ছিলেন ঠিকই, কিন্তু তিনি কখনো চুতিয়া ছিলেন না। তিনি অনেককে চুদেছেন, অনেকের বউ-মেয়েকে লাইন দিয়েছেন, কিন্তু কখনো কারো কাছে চোদা খাননি। এটা তার বাবার সম্মানের প্রশ্ন।

তিনি আরও যোগ করেন,

“যারা বলে আমার বাবা রাজাকার ছিলেন, তারা ভুল বলছে। হ্যাঁ, তিনি পাকিস্তানি অফিসারদের সঙ্গে রাতে বসে মদ খেয়েছেন, মেয়ে সাপ্লাই দিয়েছেন, কিন্তু সেটা তো শুধু ভাইচারা আর আতিথেয়তা! এতে যুদ্ধাপরাধ হয় নাকি? আমার বাবা তো কারো ওপর জোর করে চাপেননি, সবাই স্বেচ্ছায় লাইন দিয়েছে।”

প্রশ্ন করলেন বিখ্যাত সাংবাদিক দীপ্তি চৌধুরী (যিনি নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান বলে দাবি করেন, কিন্তু কেউ কখনো তার বাবার নাম শোনেনি),

“আচ্ছা, আপনার বাবা কি সত্যিই কারো বউকে চুদেছেন?”

মির কাশেম আলীর ছেলে হেসে উত্তর দিলেন, “দীপ্তি আপা, আপনি তো জানেনই! আপনার সঙ্গে তো আমার বাবার বেশ কয়েকটা প্রাইভেট সেশন ছিল। আপনিই বলুন, তিনি চুতিয়া ছিলেন কি না!”

দীপ্তি আপা লজ্জায় লাল হয়ে বললেন, “না না, সেটা তো শুধু ইন্টারভিউ ছিল… আমি তো মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে…”

মির কাশেম আলীর ছেলে মুচকি হেসে বললেন, “হ্যাঁ হ্যাঁ, আমরা জানি আপনার বাবা কোন যুদ্ধে লড়েছেন। পাকিস্তানি ক্যাম্পে না আলবদর ক্যাম্পে?”

পুরো হল লজ্জা আর হাসিতে ভরে গেল। শেষে মির কাশেম পুত্র মাইক্রোফোন নিয়ে ঘোষণা দিলেন,

“আমি আমার বাবার নামে একটা নতুন ফাউন্ডেশন খুলছি—‘ভোগচোদ কিন্তু চুতিয়া নয় ফাউন্ডেশন’। যারা ভোগ করেছে কিন্তু কখনো চোদা খায়নি, তারাই শুধু মেম্বার হতে পারবে। দীপ্তি আপা, আপনাকে আমি ভাইস-প্রেসিডেন্ট বানাব।”

ইন্টার্ভিউ শেষে সবাইকে চা-বিস্কুটের বদলে দেওয়া হলো পাকিস্তানি হালুয়া আর বেগুন ভর্তা।

দেশবাসীর নতুন স্লোগান: “ভোগচোদ হইতে পারি, চুতিয়া হইব না কখনো!”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *