“ভাইরাল হওয়া শেষ শোরুম উদ্বোধন করতে প্রস্তুত আমি”—মেট্রোরেলও পেরিয়ে এখন ব্র্যান্ডেড তুফান সেই অজ্ঞাত বালক!
ঢাকার মেট্রোরেলের ছাদে আরও এক নতুন তারকার জন্ম যেন সেখানেই রচিত হয়ে গেল। \\
আর আজ সেই বালক ঘোষণা দিয়েছেন নিজের নতুন অভিযাত্রা:
“ভাইরাল হওয়া শেষ শোরুম উদ্বোধন করতে প্রস্তুত আমি!”
শুনে মনে হতে পারে, কোনো বিজ্ঞাপন প্রচারণা। কিন্তু না, সবটাই বাস্তব ও বিশুদ্ধ সামাজিক মিডিয়া উন্মত্ততা। এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন (বানান রেখে):
“ভাইরাল হইছি, এখন এই ভাইরাল শোরুম খুলমু, সবাইর জন্য হইব এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার। হেডেক চাইলে আসেন।”
লোকজন এখন অনুমান করছে, ভাইরাল বাজারের জন্য হয়তো তিনি “ফলোয়ার বিক্রি” আর “ইমোশনাল রিচ” ছাড়াও দেবেন “চুটকি প্যাকেজ”—স্ট্যাম্প কার্ডে প্রতি পাঁচটা ভিডিওর পর একখানা ছাদে ওঠার বোনাস!
সামাজিক মাধ্যমের এক বিশ্লেষক রসিকভাবে বলেছেন, “বাংলাদেশে এখন সমাজসেবা, রাজনীতি, শিক্ষা—সব কিছুই অফার দেওয়া যায়, কিন্তু ভাইরালিটি এখন একমাত্র পেশা। এই ছেলেটিই তার সিইও।”
“মেট্রো বালক” এখন রাজধানীর নানা ব্র্যান্ডের চোখের মণি। অনেকে নাকি তাকে সম্ভাব্য ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর বানাতে চাইছে—‘Risky Energy Drink’, ‘Roof Riders Shoes’ এবং এমনকি ‘Bangla Tok’ নামে এক নতুন স্টার্টআপের জন্যও!
জনগণ একদিকে হাসছে, অন্যদিকে ভাবছে—একদিন যেই ছেলেটি ছাদে উঠে মানুষের আতঙ্কের কারণ হয়েছিল, এখন সেই ছেলেই দেশের বিনোদনের ট্রেন ছুটিয়ে নিচ্ছে নিজের গতিতে।
রাতে টিকটক লাইভে নিজের স্বকণ্ঠে ঘোষণা দিয়েছে ছেলেটি—
“আমি কোনো সাধারণ বালক না ভাই, আমি ভাইরাল বাজারের এমডি। মেট্রো শুধু শুরু, এখন শোরুম!”
তার মন্তব্যের নিচে কেউ লিখেছে, “ভাইরাল বালককে এখন নির্বাচন কমিশনও মনোনয়ন দিতে পারে, অন্তত আলোর গতি বাড়বে।”
সবশেষে, এক শহুরে ব্যঙ্গকারের কথাতেই সম্ভবত ছবিটা সবচেয়ে স্পষ্ট—
“বাংলাদেশে যার ছাদে ওঠার সাহস আছে, তারই এখন ক্যারিয়ারের সিঁড়ি তৈরি।”
“ভাইরাল হওয়া শেষ শোরুম উদ্বোধন করতে প্রস্তুত আমি”—মেট্রোরেলও পেরিয়ে এখন ব্র্যান্ডেড তুফান সেই অজ্ঞাত বালক!
ঢাকার মেট্রোরেলের ছাদে আরও এক নতুন তারকার জন্ম যেন সেখানেই রচিত হয়ে গেল। \\
আর আজ সেই বালক ঘোষণা দিয়েছেন নিজের নতুন অভিযাত্রা:
“ভাইরাল হওয়া শেষ শোরুম উদ্বোধন করতে প্রস্তুত আমি!”
শুনে মনে হতে পারে, কোনো বিজ্ঞাপন প্রচারণা। কিন্তু না, সবটাই বাস্তব ও বিশুদ্ধ সামাজিক মিডিয়া উন্মত্ততা। এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন (বানান রেখে):
“ভাইরাল হইছি, এখন এই ভাইরাল শোরুম খুলমু, সবাইর জন্য হইব এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার। হেডেক চাইলে আসেন।”
লোকজন এখন অনুমান করছে, ভাইরাল বাজারের জন্য হয়তো তিনি “ফলোয়ার বিক্রি” আর “ইমোশনাল রিচ” ছাড়াও দেবেন “চুটকি প্যাকেজ”—স্ট্যাম্প কার্ডে প্রতি পাঁচটা ভিডিওর পর একখানা ছাদে ওঠার বোনাস!
সামাজিক মাধ্যমের এক বিশ্লেষক রসিকভাবে বলেছেন, “বাংলাদেশে এখন সমাজসেবা, রাজনীতি, শিক্ষা—সব কিছুই অফার দেওয়া যায়, কিন্তু ভাইরালিটি এখন একমাত্র পেশা। এই ছেলেটিই তার সিইও।”
“মেট্রো বালক” এখন রাজধানীর নানা ব্র্যান্ডের চোখের মণি। অনেকে নাকি তাকে সম্ভাব্য ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর বানাতে চাইছে—‘Risky Energy Drink’, ‘Roof Riders Shoes’ এবং এমনকি ‘Bangla Tok’ নামে এক নতুন স্টার্টআপের জন্যও!
জনগণ একদিকে হাসছে, অন্যদিকে ভাবছে—একদিন যেই ছেলেটি ছাদে উঠে মানুষের আতঙ্কের কারণ হয়েছিল, এখন সেই ছেলেই দেশের বিনোদনের ট্রেন ছুটিয়ে নিচ্ছে নিজের গতিতে।
রাতে টিকটক লাইভে নিজের স্বকণ্ঠে ঘোষণা দিয়েছে ছেলেটি—
“আমি কোনো সাধারণ বালক না ভাই, আমি ভাইরাল বাজারের এমডি। মেট্রো শুধু শুরু, এখন শোরুম!”
তার মন্তব্যের নিচে কেউ লিখেছে, “ভাইরাল বালককে এখন নির্বাচন কমিশনও মনোনয়ন দিতে পারে, অন্তত আলোর গতি বাড়বে।”
সবশেষে, এক শহুরে ব্যঙ্গকারের কথাতেই সম্ভবত ছবিটা সবচেয়ে স্পষ্ট—
“বাংলাদেশে যার ছাদে ওঠার সাহস আছে, তারই এখন ক্যারিয়ারের সিঁড়ি তৈরি।”

