নতুন বাংলালিংক লোগো দেখে বাইজুসের মন্তব্য: “আরে, এটা তো হুবহু আমাদের যমজ ভাই”
সম্প্রতি বাংলালিংক তাদের নতুন লোগো উন্মোচন করেছে, যা দেখে অনেকেই আঁতকে উঠেছেন। কারণ, লোগোটি নাকি ভারতের জনপ্রিয় অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম বাইজুসের লোগোর সাথে হুবহু মিলে যাচ্ছে! এই ঘটনায় বাইজুস কর্তৃপক্ষ নাকি অনেকটাই তাজ্জব বনে গেছেন এবং তাদের মন্তব্য, “আরে, এটা তো হুবহু আমাদের যমজ ভাই!”
বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে (যদিও সূত্রের পরিচয় প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না, পাছে তাদের রাতের ঘুম হারাম হয়), বাইজুসের প্রধান কার্যালয়ে নাকি লোগো নিয়ে এক জরুরি মিটিং বসেছিল। সেখানে বাইজুসের সিইও স্বয়ং (যাকে ছবিতে হতাশ দেখা যাচ্ছে) নাকি মোবাইল হাতে নিয়ে নতুন বাংলালিংকের লোগোটি টিভিতে দেখতে দেখতে বলে উঠেছেন, “এ কী কাণ্ড! আমাদের ‘B’ কখন বাংলাদেশে গিয়ে ‘হৃদয়’ হয়ে গেল!”
গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে, বাংলালিংকের লোগো ডিজাইনাররা নাকি গভীর রাতে বাইজুসের লোগো দেখে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আর সেই স্বপ্ন থেকেই এই ‘যমজ’ লোগোর উৎপত্তি। অনেকে আবার বলছেন, হয়তো ডিজাইনার সাহেব বাইজুসের কোনো কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন, আর অ্যাসাইনমেন্ট হিসেবে বাইজুসের লোগো কপি করতে গিয়ে ভুলবশত বাংলালিংকের লোগো বানিয়ে ফেলেছেন!
বাজারের কফি শপগুলোতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, এই লোগো সাদৃশ্য নিয়ে নাকি দুই দেশের মধ্যে এক ধরনের ‘লোগো-যুদ্ধ’ শুরু হতে পারে। যদিও এটি নিছকই গুজব, তবুও কফি পানের ফাঁকে এই নিয়ে হাসাহাসি চলছেই।
গল্পের মোড় আরও জমকালো হয়েছে বাংলাদেশের দুই জনপ্রিয় ব্লগার পিনাকী ভট্টাচার্য এবং ইলিয়াসের মন্তব্যে। তারা নাকি এই লোগো সাদৃশ্যের পেছনে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ (RAW)-এর গোপন হাত দেখতে পাচ্ছেন! তাদের দাবি (অবশ্যই মজার ছলে!), ‘র’ নাকি বাংলাদেশের টেলিকম সেক্টরে গুপ্তচরবৃত্তি চালাচ্ছে এবং বাইজুসের লোগো চুরি করে বাংলালিংকের মাধ্যমে বাজারে ছেড়েছে, যাতে উভয় দেশের সম্পর্ক আরও গভীর হয়! ইলিয়াস সাহেব নাকি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “এটা নিছকই লোগো নয়, এটা এক গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ! ‘র’ এখন লোগো দিয়েও খেলছে!” পিনাকী ভট্টাচার্য্যও নাকি তার নিজস্ব স্টাইলে এই ‘র’ তত্ত্ব নিয়ে এক বিস্তারিত গবেষণামূলক (রম্য) পোস্ট দিয়েছেন।
এখন দেখার বিষয়, এই ‘যমজ লোগো’ কাহিনী কোথায় গিয়ে ঠেকে। বাংলালিংক কি তাদের লোগো পরিবর্তন করবে, নাকি বাইজুস তাদের নতুন ‘যমজ ভাই’-কে সাদরে গ্রহণ করবে? আর ‘র’-এর এই লোগো-ষড়যন্ত্রের পেছনে আসল উদ্দেশ্য কী, তা জানতে আমাদের আরও কফি শপের গুঞ্জনে কান পাততে হবে!

