স্ত্রীর পরকীয়ার খবর শুনে কবরেই হার্ট অ্যাটাক করল স্বামী
স্থানীয়রা জানান, রাত আনুমানিক ১১:৪৭ মিনিটে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর থেকে হঠাৎ চিৎকার ভেসে আসে:
“এই বুড়ি বয়সেও ছাড়ে নাই রে! আমি জীবিত থাকতে পাকিস্তানি জেনারেল জানজুয়াসহ আরো কত্তগুলার সাথে… সেই কথা তো জাতি ভুলেই গেছে! এখন মরার পরেও ড. ইউনুসের কোলে বসে ছবি? আল্লাহ্ ইসে উঠালে… না না, উঠাইয়েন না, আমার আবার হার্ট অ্যাটাক হইব!”
কবরের ভেতর থেকে আরো শোনা যায়:
“ইন্টারিম সরকারের সময় মানুষ বাউল ধরছে, আর আমার বউ ধরছে নোবেল বিজয়ী! এইটা কোন ধরনের ইন্টারিম রে বাবা?”
প্রত্যক্ষদর্শী কবরের তত্ত্বাবধায়ক আব্দুল কাদের বলেন,
“রাতে কবরটা হঠাৎ কাঁপতে কাঁপতে লাল হয়ে গেছে। ভেতর থেকে চিৎকার— ‘আমি তো মরা মানুষ, তবু বুকে ব্যথা! এই বুড়ির জন্য আমার কবরেও শান্তি নাই!’ তারপর হঠাৎ সব চুপ। ডাক্তার ডাকতে গেছিলাম, কিন্তু ডাক্তার বলল, ‘যার আগেই দুইবার মরা গেছে, তার আবার হার্ট অ্যাটাক হয় নাকি?’”
এদিকে খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, ম্যাডাম নাকি এখনো কিছু জানেন না। তিনি শুধু বলেছেন,
“জিয়া সাহেব তো জানেন, আমি সবসময় দেশের জন্যই কারো কাছে বসি।”
জনগণের প্রশ্ন একটাই—
ইন্টারিম সরকার থাকতে বাউল সরকারের দরকার কী ছিল?
আর মরা স্বামী থাকতে বুড়ি বয়সে এত কাছাকাছি বসার দরকার কী ছিল?
কবর এখন আইসিইউতে। অবস্থা স্থিতিশীল, কিন্তু যেকোনো মুহূর্তে নতুন ছবি দেখলে আবার অ্যাটাক হতে পারে বলে চিকিৎসকরা সতর্ক করেছেন।

