গবেষকদের প্রশ্ন, ইন্টারিম সরকার থাকতে বাউল সরকারের কী দরকার?
গবেষকেরা বলছেন, দেশে যখন ইন্টেরিম সরকারই নিজের পরিচয় খুঁজে পাচ্ছে না, তখন একটা নিরীহ বাউলের নামের “সরকার” অংশটাই নাকি ওদের সবচেয়ে বেশি জ্বালা ধরাচ্ছে! তাই নাকি প্রশাসনের নতুন গবেষণা: “নামেই যদি সরকার থাকে—তার ওপর আগে অভিযান!” সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে মজা করে লিখেছে, “ইন্টেরিমের দায়, বাউলের উপাধি—তাই বুঝি হলো রাষ্ট্রের বিপদাঘাতি?”
এদিকে বাউল সরকারের মুক্তি চেয়ে যারা রাস্তায় দাঁড়িয়েছিল, ধর্মান্ধ চক্র তাদেরই পিঠে গবেষণামূলক ‘ফিল্ডওয়ার্ক’ চালিয়ে দিলো। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এটা নাকি নতুন তত্ত্ব—*“বাউল বাঁচাও না, বাউলপ্রেমী পেটাও”—*রাষ্ট্রনীতির পরীক্ষামূলক ধাপ! সমালোচকেরা খোঁচা দিচ্ছেন, “ইন্টেরিম সরকার আর গবেষক দল—ভুলে গেছে কাজ, ধরে আছে ঢল; তাই তো এক বাউলের উপাধিতেই নড়ে যায় পুরো সিস্টেমের কল!”

