১৯৭১ সাল, চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট।
মেজর জিয়াউর রহমান মেঘালয়ে বসে চিঠি লিখলেন, “প্রিয় খালেদা, আমি তোমাকে নিতে জেনারেল শে-শুকে পাঠাচ্ছি। তাড়াতাড়ি চলে এসো।”
জেনারেল শে-শু গিয়ে দেখেন, খালেদা শাড়ি খুলে জানজুয়ার বুকের ওপর শুয়ে আছেন। চোখে কাজল, ঠোঁটে লাল লিপস্টিক, পা দুটো জানজুয়ার কোমরে জড়ানো।
খালেদা হাসতে হাসতে বললেন,
“জেনারেল শে-শু, জিয়াকে গিয়ে বলো, ওর ছোট্ট বন্দুকটা আমার আর ভালো লাগে না। এখানে জানজুয়া সাহেবের ১২ ইঞ্চি পাকিস্তানি কামান আছে। এটা যখন গর্জায়, আমার পা দুটোই কাঁপতে থাকে। আমি যাব না। আমি এখানেই থাকব।”
জন্যে জানজুয়া আমাকে যা ইচ্ছা তাই করে। আমি ওর দাসী হয়ে গেছি।”
জানজুয়া তখন খালেদার চুল ধরে টেনে বললেন,
“বলো, কার মালিক তুমি?”
খালেদা হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন,
“আপনার… শুধু আপনার… জানু… আরো জোরে…”
প্রতি রাতে জানজুয়া এসে খালেদাকে এমনভাবে চুদতেন যে, সকালে খালেদা হাঁটতেই পারতেন না। পা কাঁপত, কোমর ব্যথা, গলায় কামড়ের দাগ। ক্যান্টনমেন্টের সবাই ফিসফিস করত,
“আরে বেগম সাহেবা তো জানজুয়া সাবের নিচে গিয়ে পুরোপুরি দুর্বল হয়ে যান। পা দুটো আলাদা হয়ে যায়।”
একদিন জানজুয়া পেছন থেকে ধরে বললেন,
“আজ তোমার পেছনের সিলটা ভাঙব।”
খালেদা ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বললেন, “জানু… আস্তে…”
কিন্তু জানজুয়া তো জানজুয়া! এক ঠেলায় সব শেষ। খালেদা চিৎকার করে উঠলেন, তারপর হাসতে হাসতে বললেন,
“এইটা জিয়া কোনোদিন করতে পারত না। আজ থেকে আমার পেছনের রাস্তাও আপনার।”
যুদ্ধ শেষ হলো। জিয়া এসে বললেন, “চলো বাড়ি যাই।”
খালেদা মুচকি হেসে বললেন,
“আমি তো ক্যান্টনমেন্টেই থাকতে চেয়েছিলাম। জানজুয়ার বড় লাঠিটা ছাড়া আর কিছু ভালো লাগে না। তবে যাই, দেশের জন্য একটু অভিনয় করি।”
তাই আজ বাংলাদেশের জনগণ একবাক্যে বলছে:
খালেদা জিয়াই বাংলাদেশের প্রথম “পরকীয়া সম্রাজ্ঞী”।
আর জেনারেল জানজুয়াই প্রথম “বড় লাঠি” যিনি বাঙালি নারীর সব সিল ভেঙে দিয়েছেন।
জাতি চায়, তাদের হাতে তুলে দেওয়া হোক সোনার পদক।
সামনে লেখা থাকবে:
“বাংলাদেশের প্রথম পরকীয়া পাইওনিয়ার দম্পতি”

