গ্রামীণ ব্যাংককে আগাম দেউলিয়া ঘোষণা করলেন ড: ইউনূস
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ বিকেলে এক চাঞ্চল্যকর ঘোষণায় জানিয়েছেন, গ্রামীণ ব্যাংককে “আগাম দেউলিয়া” ঘোষণা করা হলো! তিনি বলেন, “১৩ নভেম্বরের লকডাউনের পর থেকে জুলাই সিডিআই বলে বলে মানুষ যে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতি যে ‘ফায়ারি লাভ’ দেখাচ্ছেন, তাতে ব্যাংকটা আগুনে পুড়ে ছাই হওয়ার আগেই আমরা দেউলিয়া ঘোষণা করে দিলাম – অন্তত কাগজে-কলমে!”
সূত্রের খবর, গত কয়েকদিন ধরে আওয়ামী লীগের লকডাউন আর জুলাই সিডিআই ক্যাম্পেইনের অংশগ্রহণকারীরা গ্রামীণ ব্যাংকের শাখায় শাখায় “আগুন লাগানোর রিহার্সাল” দিচ্ছেন। এক কর্মচারী নাকি বলেছেন, “আমরা গ্রামীণকে এত ভালোবাসি যে, পুরো ব্যাংকটাই জ্বালিয়ে দিতে চাই – যাতে গরিবদের সুদের টাকা আর কখনো ফেরত দিতে না হয়!” এই খবর শুনে ড. ইউনূস নাকি হেসে ফেলে বলেছেন, “আগুন লাগার আগেই দেউলিয়া ঘোষণা করে দিই – রসিদ পুড়ে গেলে তো আর প্রমাণ থাকবে না!”
ইনসাইডাররা জানাচ্ছেন, গ্রামীণ ব্যাংকের ভল্টে রাখা লক্ষ লক্ষ টাকার রসিদ এখন “আগুন-প্রুফ” করার জন্য বিশেষ প্লাস্টিকে মোড়ানো হচ্ছে। কিন্তু ড. ইউনূসের ঘোষণার পর কর্মচারীরা নাকি বলাবলি করছেন, “প্লাস্টিকও পুড়ে যায়, তাই দেউলিয়া ঘোষণা করে সবাইকে বলে দিই – ‘টাকা ছিল, কিন্তু এখন আর নেই!’”
এদিকে গ্রামীণের গরিব গ্রাহকরা হতভম্ব। একজন মহিলা বললেন, “আমি ৫০০ টাকা সুদ দিয়ে ১০০০ টাকা লোন নিয়েছি। এখন দেউলিয়া হলে কি আমার সুদটা পুড়ে যাবে, নাকি আমাকে আবার দিতে হবে?” উত্তরে এক কর্মচারী হেসে বললেন, “চিন্তা নেই আপা, আগুন লাগলে সব পুড়ে যাবে – আপনার সুদ, আমাদের রসিদ, আর ড. ইউনূসের নোবেলও!”
বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, “এটা জুলাই সনদের আরেকটা লঙ্ঘন

