চন্দ্র-০১ ও সূর্য-০১ আসনে প্রার্থী নিশ্চিত করলো জামায়াত
চন্দ্র–৩৬ ও সূর্য–৬৯ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা—রাজনীতির মহাকাশে নতুন মহাগল্প!
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নানা আশ্চর্য দেখা গেছে—কখনও কখনও মসজিদের মাইক দিয়ে নির্বাচনী প্রচার—but এইবার যা ঘটেছে, তা সত্যিই কল্পবিজ্ঞানের কাছাকাছি। জামায়াত ঘোষণা দিয়েছে তাদের নতুন প্রার্থী তালিকা, যেখানে দুটি আসন বিশেষভাবে আলোচনায়—চন্দ্র–৩৬ এবং সূর্য–৬৯!
দলের মুখপাত্র সংবাদ সম্মেলনে বড় গলায় ঘোষণা দিলেন,
“আমাদের রাজনৈতিক শক্তি এখন পৃথিবীর সীমা ছাড়িয়ে গেছে। একসময় আমরা বলেছিলাম, চাঁদে সাঈদী সাহেব আছেন; আজ আমরা বলছি, সূর্যও নাকি আমাদের প্রার্থীর অপেক্ষায় থেমে থাকে।”
ঘোষণার পর থেকেই দেশজুড়ে হাসির ঢেউ। নেটিজেনদের কেউ লিখেছে, “এবার নির্বাচনী প্রচারণা হবে চাঁদের আলো আর সূর্যের উত্তাপে।” কেউ আবার মজার ছলে বলছে, “চন্দ্র–৩৬ আসনে ভোট দেওয়ার জন্য রকেট লঞ্চপ্যাডে সারি লাগবে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জামায়াত সবসময়ই “বিশ্বাস-সাহিত্য” ঘরানার রাজনীতি চর্চা করে আসছে। আগে বলেছিল, সাঈদী চাঁদে দেখা যায়—এবার সেই ভাবনাকে তারা নতুন জ্যোতির্বিদ্যাগত উচ্চতায় নিয়ে গেছে। এক বিশ্লেষক ব্যঙ্গ করে বলেন, “এবার মনে হয় নির্বাচন কমিশনকে NASA-সার্টিফিকেট নিতে হবে, না হলে এই প্রার্থীপত্র যাচাই করা কঠিন হবে!”
সামাজিক মাধ্যমের মজাও থামছে না। কেউ ব্যঙ্গ করে লিখেছে,
“সূর্য–৬৯ আসনে যদি সূর্য থেমে থাকে, তাহলে হয়তো ভোটের দিনে পৃথিবীও একটু হেলে পড়বে!”
আরেকজন বলছেন, “এমন প্রার্থী দিলে পোস্টার লাগাতে হবে শুধু রাতে—দিনে সূর্যের তাপে ছাই হয়ে যাবে।”
জামায়াতের এক সমর্থককে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আমরা আকাশের রাজনীতি করি, আপনাদের পৃথিবীর চিন্তা আমাদের পক্ষে ছোট।” এ বক্তব্যে জনতা এখন ভাবছে—এই দলের ‘ভোট কেন্দ্র’ হয়তো ভবিষ্যতে সত্যিই কক্ষপথে প্রতিষ্ঠিত হবে।
এমনই এক বাস্তবতার দেশে এখন রাজনীতি একেবারে অ্যাস্ট্রো-সিরিয়াস!
মঞ্চে নেতা বক্তৃতা দিচ্ছে, মাইকে ঘোষণা ভেসে আসছে—
“ভোট দিন চন্দ্র–৩৬ এর প্রার্থীকে, যারা চান আলোকিত ভবিষ্যৎ… আর সূর্য–৬৯ এর ভোটাররা, আপনার ভোটের আগে সানস্ক্রিন লাগাতে ভুলবেন না!”

